সফলতার তিনটি সূত্র মেনে চলুন অবশ্যই সফলতা আসবে

সফলতার তিনটি সূত্র মেনে চলুন অবশ্যই সফলতা আসবে এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে একজন মানুষকে সফলতা লাভ করতে হলে অবশ্যই এর অতীতে যারা সফল হয়েছে তাদের জীবন ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সফলতার পথে তাকে হাঁটতে হবে। সফলতা জীবনে এমনি এমনি আসেনা সর্বোচ্চ ধৈর্য সততা এবং পরিশ্রমের বিনিময়ে সফলতা অর্জন করতে হয় ।এই সফলতা মূলমন্ত্র হচ্ছে  তিনটি। যে তিনটি বিষয়ে একজন মানুষ সর্বোচ্চ দৃষ্টি রেখে তার কাজটি করবে অবশ্যই কাজে সফলতা আসবে।

সফলতার সুত্র তিনটি হল :-

> অন্যের চেয়ে বেশি জানা,

>অন্যের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করা,

>এবং অন্যের তুলনায় কম প্রত্যাশা করা।

অন্যের চেয়ে বেশি জানা

এই পৃথিবীতে আমরা যারা জন্মগ্রহণ করে মানুষের মত মানুষ হতে চাই। ঠিক তখনই আমাদেরকে একটা বিষয় পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। অর্থাৎ প্রত্যেকটা মানুষই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে এবং রক্তে মাংসে গড়া তার দেহ কিন্তু এই রক্তমাংসে গড়া দেহ নিয়ে কেউ কেউ কেউ এমন সব কার্যাবলী করে থাকে যে কাজটি পৃথিবীতে তাকে চির অমর করে রাখে ।

আবার কেউ কেউ জন্মগ্রহণ করে এমনসব কার্যাবলী করে থাকে তাকে কেউ কোনদিন মনে রাখতে  চায়না ।এটাই হচ্ছে পৃথিবীর নিয়ম। তাই আপনাকে সফল হতে গেলে প্রথম যে ধাপ সেটি হচ্ছে অন্যের চেয়ে যেকোনো বিষয়ে

অর্থাৎ ভালো দিক থেকে বিবেচনা করে অন্যের চেয়ে  বেশি জানা দরকার। যে কোন কাজ একজন ব্যক্তি যেভাবে করে ওই কাজটি আপনাকে আরো বেশি ভালো করে  করা দরকার ।মনে রাখতে হবে আপনার চেয়ে ভালো আর কোনো ব্যক্তি এই কাজটি করতে  পারবেনা ।

অন্যের চেয়ে বেশি পরিশ্রম  করা

যে কাজটি আপনি করবেন বলে লক্ষ অনুযায়ী ঠিক করেছেন ।ঠিক সেই কাজটি আপনাকে এমন ভাবে করতে হবে যেন সর্বোচ্চ মনোযোগের সহিত ধৈর্যের শহীদ সততার শহীদ সর্বোচ্চ পরিশ্রম দিয়ে কাজটি সম্পন্ন  করতে হবে। এছাড়া আমরা যখন কোন কাজ  সম্পন্ন করার জন্য যে প্রস্তুতি নিয়ে কাজটি করি সেই কাজটি অবশ্যই সবচাইতে ভালো মানের হতে হবে অর্থাৎ সর্বোচ্চ ভালো কাজটি যেন আপনার দ্বারা সম্পন্ন হয়।

 অন্যের তুলনায় কম প্রত্যাশা করা

জীবন বাঁচানো তাগিদে এই পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষ সাধারণত যে কাজগুলি করে থাকি। সেই কাজগুলো নিয়ে নিজে নিজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে মনের সাথে সঠিক পরামর্শ করে সম্পন্ন করা এবং সকলের  তুলনায় আপনাকে সম্পূর্ণ আলাদা দৃষ্টিতে ভাবতে হবে যে কাজটি হয়তোবা সম্পন্ন হয় নাই। সঠিক নিয়ম অনুযায়ী আরো ভালোভাবে করতে  হবে। অর্থাৎ অন্যদের  তুলনায় আপনাকে কম প্রত্যাশা করতে হবে এবং বেশি পরিশ্রমের বিনিময়ে  কাজটি সম্পূর্ণ করতে হবে।

বাস্তব উদাহরণ

সফলতার তিনটি সূত্র মেনে চলুন, ধরুন একজন মানুষ রাস্তা দিয়ে একটি বাইক চালিয়ে যাচ্ছে আপনি ওই রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটতেছে হাঁটতেছেন তখন আপনি ওই বাইক চালককে দেখে মনে একটা ধারণা তৈরি করলেন যে এইভাবে ধরে বসে থাকলে আপনি আপনি বাইকটি চলবে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী হঠাৎ একদিন বাইকে উঠলে না জেনে শুনে বাইক চালানো শুরু  করলেন । তখন আপনার অবস্থা কি হবে একবার ভেবে দেখেছেন কি। কিন্তু আসলে কি তাই ।বাস্তবে সম্পূর্ণ  ভিন্ন। 

ওই বাইক চালানো পূর্বে আপনাকে অবশ্যই বাস্তবে বাইক সম্পর্কে জেনেশুনে কখন কোন সময় কিভাবে বাইকে কাজগুলি করতে হবে বিষয়গুলো মাথায় রেখে প্রথমে আপনাকে বাস্তবে বাইক চালানোর প্র্যাকটিস করতে হবে। তবেই আপনি বাইক চালাতে পারবেন। অর্থাৎ পরিশ্রম করে আপনাকে অবশ্যই বাইক চালানো প্র্যাকটিস করতে হবে  তবেই সফলতা হবে।

Refarens-sportsnet24

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *