অনলাইনে জমির খতিয়ান ও মালিকানা বের করুন

অনলাইনে জমির খতিয়ান ও মালিকানা বের করুন-বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অর্থাৎ বিজ্ঞানের এই যুগে পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে যে কোন ক্ষেত্রে আপনি মুহূর্তের মধ্যেই আপনার সকল প্রয়োজন চাহিদা মেটাতে পারেন। তেমনি তারই ধারাবাহিকতায় এখন বর্তমান সময়ে আপনি খুব সহজে অনলাইনে জমির খতিয়ান ও মালিকানা বের করুন।

এছাড়া অনেক সময় অনেক অজানা লোককে জমি বিষয়ে নানান ধরনের ভুলভ্রান্তি বুঝিয়ে তাদের কাছ থেকে জমি লিখে নেওয়া হতো বিভিন্ন মাধ্যমে শত শত লোক এরকম হয়রানির শিকার হয়ে তারা আজকের সম্পূর্ণ মাটি ছাড়া।

যারা তাদের সম্পদ ছাড়া একজন পাগল মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। কাজেই এখন আপনি আমিতো তা সকলের এই জমির কাগজ সম্পর্কে সচেতন থাকা বিশেষ প্রয়োজন। বিশেষ করে আপনার সকল সমস্যার সমাধান এখন আপনি অনলাইনের মাধ্যমে  পাবেন।

সবার কাছে প্রয়োজনীয় একটি সম্পদ হচ্ছে জমি। আপনার জমি নেই বা অনেক জমি রয়েছে তবুও জমি ক্রয় করার আগ্রহ আপনার আছে। তাই আজকের ইনফোতে আলোচনা হবে  জমির মালিকানা বের করার উপায়: খতিয়ান বের করার নিয়ম ও অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই।

বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় ভূমি সেবায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ফলে যে কেউ এখন অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই করা কিংবা মোবাইলেই জমির খতিয়ান বের করে নিতে পারবে।

জমির খতিয়ান ও মালিকানা 

জমির খতিয়ান ও মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশের প্রচলিত সরকারী বিধি মোতাবেক আইন অনুসারে যেসকল নিয়ম নীতি উল্লেখ করা আছে। উল্লেখিত নিয়ম অনুযায়ী অধিকাংশ জমির খতিয়ান এবং মালিকানা নিয়ে বিভিন্ন রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে জমির মালিক।এছাড়া শতকরা 80 ভাগ মানুষ তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হাতছাড়া হয়ে থাকে প্রধানত জমির খতিয়ান এবং মালিকানা সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা না থাকার কারণে।তাই আপনার জমির খতিয়ান এবং মালিকানা নিয়ে সকল সমস্যা সমাধান করতে সকল নিয়ম-নীতি আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো। 

আসুন ইনফোর শুরুতেই আমরা জমির কাগজ সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই।

জমির খতিয়ান বা পর্চা কি?

খতিয়ান বা পর্চা একই জিনিস। জমির মালিকানা প্রমাণের সরকারি যে দলিল তাকে খতিয়ান বলে। বিভিন্ন এলাকায় এটাকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

আইনিভাবে খতিয়ানের পরিচয়- আইনিভাবে বলতে গেলে বলা যায় সরকারীভাবে জমি জরিপ করার সময় জরিপের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে  চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশ ফরম নং ৫৪৬২ (সংশোধিত) তে ভুমির মালিকানা/ দাগের বর্ণনাসহ যে নথিচিত্র প্রকাশ করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

খতিয়ানে কি কি উল্লেখ থাকে?

জমির খতিয়ানে মালিকানা তথ্য সহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেক থাকে। যেমন-

  • প্রজা বা জমি দখলদারের নাম, ঠিকানা, পিতার নাম ও প্রজা বা দখলদার কোন শ্রেণীভুক্ত।
  • প্রজা বা দখলদার কর্তক জমির অবস্থান, পরিমান ও সীমানা।
  • জমির মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা।
  • এস্টেটের মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা।
  • খতিয়ান তৈরি করার সময় খাজনার পরিমান ও ২৮,২৯,৩০ বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত খাজনা। গরু চরণভুমি, বনভুমি ও মৎস খামারের জন্য ধারণকৃত অর্থ।
  • খাজনার যে পদ্ধতিতে নির্ধারিত করা হয়েছে তার বিবরণ।
  • ২৬ ধারা মোতাবেক নির্ধারিত এবং ন্যায়সঙ্গত খাজনা।
  • খাজনা বৃদ্ধিক্রম থাকলে তার বিবরণ।
  • ইজারাকৃত জমির ক্ষেত্রে জমির মালিকের অধিকার ও কর্তব্য।
  • প্রজাস্বত্ব বিশেষ শর্ত ও তার পরিনতি।
  • পথ চলার অধিকার ও জমি সংলগ্ন অন্যান্য অধিকার।
  • নিজস্ব জমি হলে তার বিবরণ।
  • খতিয়ান নং, মৌজা নং, জেএল নং, দাগ নং, বাট্রা নং, এরিয়া নং ইত্যাদি উল্লেখ থাকে।

মাঠ পর্চা কি বা মাঠ পর্চা কাকে বলে?

জমি জরিপ করার সময় জমির মালিকদেরকে একটি খসড়া খতিয়ান দেওয়া হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। এটাতে কোন প্রকার ভুল থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সহজেই সংশোধন করে নেওয়া যায়।

সুতরাং বলাযায় চুড়ান্ত খতিয়ান প্রকাশের আগে জমির মালিকরা যে খসড়া খতিয়ান ব্যবহার করে তাকে মাঠ পর্চা বলে।

খতিয়ানের প্রকারভেদ

আমাদের দেশে এ যাবৎ তিনটি জরিপ হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী জমির খতিয়ান বিভিন্ন হয়ে থাকে। যেমন-

  1. সিএস খতিয়ান
  2. এসএ খতিয়ান
  3. আরএস খতিয়ান
  4. বিএস খতিয়ান/সিটি জরিপ

এখানে উল্লেখ্য যে, বিএস খতিয়ান/সিটি জরিপ আর এস খতিয়ানের অন্তভুক্ত সেই হিসাবে খতিয়ান তিন প্রকার।

সিএস খতিয়ান। (Cadastral Survey)

এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম যে জরিপ হয় সেটাই হচ্ছে সিএস খতিয়ান (Cadastral Survey)। এই জরিপ ১৮৮৭ সালে শুরু হয়ে ১৯৪০ সালে শেষ হয়।

এই জরিপ কক্সবাজারের রামুতে শুরু হয় এবং দিনাজপুরে শেষ হয়। জরিপ চলাকালে সিলেট আসাম প্রদেশ এর সাথে সংযুক্ত এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জমিদারি প্রথার সাথে বাঙ্গালীদের বিরোধ থাকায় এই দুটি অঞ্চল সিএস জরিপের আওতায় আনা হয় নাই।

সুতরাং সিএস জরিপ হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জরিপ এবং এর খতিয়ানকে সিএস খতিয়ান বলা হয়।

এই খতিয়ান উপর থেকে নিচ লম্বালম্বিভাবে হয়। একদম উপরে বাংলাদেশ ফরম নং ৫৪৬৩ লিখা থাকে।

এসএ খতিয়ান । (State Acquisition Survey)

১৯৫০ সালে জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হয়। আইন পাশের পর ততকালিন সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ সাবস্ত করেন।

এই সময় সরকারি আমিনগণ সরেজমিন অর্থাৎ মাঠে না গিয়ে অফিসে বসে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে খতিয়ান তৈরি করেন। এটাকে এসএ খতিয়ান বলে। কোন কোন অঞ্চলে এ খতিয়ানকে টেবিল খতিয়ান বা ৬২ খতিয়ান বলা হয়।

সরেজমিন না গিয়ে জরিপ পরিচালনা করা হয় বলে এ খতিয়ানে অনেক ধরণের অসমতা দেখা দেয়।

এ খতিয়ান সাধারণত এক পৃষ্ঠায় হয়ে থাকে এক কখন প্রিন্ট হয় না অর্থাৎ হাতে লেখা খতিয়ান হচ্ছে এসএ খতিয়ান।

 আরএস খতিয়ান। (Revisional Survey)

সিএস খতিয়ান সম্পন্ন হওয়ার ৫০ বছর অতিক্রম করে আরিএস জরিপ শুরু হয়। আগের খতিয়ানের ভুল সংশোধন করে এতটাই স্বচ্ছ করা হয় যে, মালিকানা, দখলদার বিরোধ কিংবা ক্রয়-বিক্রয় করার ক্ষেত্রে এটির উপর নির্ভর করতে হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই জরিপ পরিচালনা করা হয় বলে এর খতিয়ানকে বাংলাদেশ খতিয়ানও বলা হয়।

আরএস খতিয়ান সিএস খতিয়ানের মত লম্বালম্বি দাগ টানা থাকে তবে এটি এক পৃষ্ঠায় হয়। ফরমের একদম উপরে হাতের ডান পাশে ‘রেসার্তে নং’ লেখা থাকে।

বিএস খতিয়ান/সিটি জরিপ। (City Survey)

বাংলাদেশে সর্বশেষ যে জরিপ (1998-1999 সালে) অনুষ্ঠিত হয় যেটার কাজ এখন চলমান রয়েছে। টাকা অঞ্চলে এটা মহানগর জরিপ হিসাবে পরিচিত লাভ করে।

বি এস খতিয়ানে ৯ টা কলাম থাকে এবং জমির ধরণ কি তা উল্লেখ থাকে। যেমন- চাষের জমি, পুকুর ইত্যাদি।

জমির মালিকানা বের করার প্রয়োজন হয় কেন?

জমি ক্রয় করার আগে ক্রয়কারিকে অবশ্যই মালিকানা যাচাই করে নিতে হয়। কেননা বাংলাদেশে প্রতারকের অভাব নেই। নকল মালিক সেজেও জমি বিক্রয় করার প্রতারণা করতে পারে অনেকেই।

এছাড়াও জমি জমা নিয়ে বিরোধ মিমাংসা করার ক্ষেত্রেও জমির মালিকানা যাচাই করার প্রয়োজন হয়।

ওয়ারিশদের প্রাপ্ত সম্পত্তি বন্টন করার আগেও মৃত ব্যক্তির মালিকানা যাচাই করার প্রয়োজন হতে পারে। কেননা অন্য কারো জমি দাপুটে ভোগদখল করার নজির আমাদের দেশে আছে।

জমির মালিকানা যাচাই করার নিয়ম

বর্তমানে আপনি দুইভাবে জমির মালিকানা যাচাই করতে পারবেন। যেমন – এক. কোন খতিয়ান সম্পর্কে যদি আপনার সন্দেহ হয় তাহলে খতিয়ানটি নিয়ে সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে খতিয়ানের ভলিয়াম দেখুন।

আপনার খতিয়ান ভলিয়মের সাথে মিল থাকলে খতিয়ানটি সঠিক নচেৎ জালিয়াতি করা হয়েছে।

দুই. অনলাইনের মাধ্যমেও খতিয়ানটি যাচাই করে নিতে পারেন নিজে নিজেই। আপনি যদি স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সেটে ইন্টারনেট সংযোগ করে অনলাইনে জমির কাগজ দেখতে পারেন।

খতিয়ান বের করার নিয়ম বা কিভাবে জমির খতিয়ান উঠাবেন?

খতিয়ান উঠানো বা বর্তমানে খতিয়ান বের করার দুটি পদ্ধতি রয়েছে। একটি হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি অপরটি হচ্ছে মেনুয়াল পদ্ধতি।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে আপনি দু প্রকার খতিয়ান উঠাতে পারবেন। খতিয়ানের অনলাইন কপি এবং ডাক যোগে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন।

জমির খতিয়ান উঠানোর মেনুয়াল পদ্ধতি হচ্ছে- খতিয়ান নাম্বার বা জমির দাগ নাম্বার নিয়ে সেটেলমেন্ট অফিসে যোগাযোগ করে খতিয়ান তোলা।

সেটেলমেন্ট থেকে খতিয়ান উঠাতে ১০০ (একশত) টাকা খরচ হয়। আর অনলাইনে খতিয়ান উঠাতে ৫০ টাকা খরচ লাগবে।

অনলাইনে জমির মালিকানা যাচাই ও খতিয়ান বের করার নিয়ম

ডিজিটাল এই যুগে ভূমি সংক্রান্ত সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে কোথাও না গিয়ে নিজে নিজে বাসায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জমির মালিকানা যাচাই করাসহ যে কোন খতিয়ান বের করা যায় খুব সহজেই।

https://eporcha.gov.bd/khatian-search-panel

বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় ই-পর্চা (www.eporcha.gov.bd) ওয়েবসাইট উদ্ভধন করেছে। এই ওয়েবপোর্টাল ব্যবহার করে ভূমি সংক্রান্ত সেবা গ্রহন করা যাবে। কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট সংযোগে ভূমিসেবা গ্রহণ করতে কোন প্রকার দালাল কিংবা মধ্যস্ততা প্রয়োজন নেই। সিএস, এস এ, আরএস সহ যে কোন খতিয়ান দেখা কিংবা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করা যাবে এই ওয়েবসাইটে। অল্পকিছু টাকার বিনিময়ে যে কোন খতিয়ানে অনলাইন কপি তাতক্ষণিকভাবে নিতে পারবেন এখান থেকে।

শিশু ও মাতৃত্ব ভাতা আবেদন-২০২২ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কার্যক্রম

তিস্তা নদীর কী বেহাল দশা

মানব সৃষ্টির রহস্য কি ? একবার জানুন

বিদায় হজের ভাষণ এবং আরো মহা মূল্যবান কথা

ঢাকা টু সৈয়দপুর বিমান ভাড়া, টিকিট, ফ্লাইট বুকিং ২০২২

বিশ্বের সেরা দর্শনীয় স্থান

তিন বিঘা করিডর

রানী মুখার্জির এর বায়োগ্রাফি, জন্ম, বয়স, ওজন, উচ্চতা, বয়ফ্রেন্ড, পরিবার

মোশারফ করিম এর বায়োগ্রাফি: লাইফ স্টোরি, অর্থ, বয়স, জন্ম, উইকি, ফ্যামিলি এবং স্ত্রী

আ খ ম হাসান বয়স, উচ্চতা, ফ্যামিলি, লাইভ স্টাইল এবং অন্যান্য

হুমাইরা হিমু জীবন বৃত্তান্ত, প্রেমিক, পরিবার উইকি

নোরা ফাতেহি বায়োগ্রাফি,নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী ও গায়িকা 

রজতাভ দত্তের অদ্ভুত জীবন কাহিনী

আফরান নিশো বয়স, উচ্চতা, লাইভ স্টাইল, শিক্ষা, প্রেমিকা, পরিবার এবং অন্যান্য

অভিনেত্রী রিয়া শর্মা এর বায়োগ্রাফি, জন্ম, বয়স, ওজন, উচ্চতা, বয়ফ্রেন্ড, পরিবার

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জীবনী, বয়স, লাভার, পরিবার, বেতন এবং ক্যারিয়ার

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের বায়োপিক, জন্ম, বয়স, উচ্চতা, পারিবারিক জীবন, ধন-সম্পদ,ক্রিকেট ক্যারিয়ার  এবং সংক্ষিপ্ত জীবনী

কিলিয়ান এমবাপ্পের জীবনী

আফিফ হোসেন এর বায়োগ্রাফি, জীবনী, জন্ম, বয়স, ওজন, উচ্চতা, বেতন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ক্যারিয়ার, স্ত্রী এবং পরিবার

ক্রিকেটার তামিম ইকবালের ব্যক্তিগত জীবন, ক্যারিয়ার, বয়স, উচ্চতা, জন্ম এবং বৈবাহিক জীবন

রতন টাটার জীবনী এবং কিভাবে কর্মচারী থেকে টাটা কোম্পানির মালিক 

বিরাট কোহলির জীবনী, বয়স, উচ্চতা,প্রেমিকা,পরিবার, স্ত্রী, সন্তান,রেকর্ড এবং ধন-সম্পদ

সাদিও মানে ইতিহাস সেরা অদ্ভুত জীবনী 

রশিদ খান এর ইতিহাস সেরা জীবনী

মোহাম্মদ রিজওয়ান এর জীবনী 

লিওলেন মেসির কৈশোর ,শৈশব, ফুটবল  জীবন এবং পরিবা

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *